দ্যা গ্রেট ওয়াল অব চায়না- বিশাল দেশের এক সুবিশাল প্রাচীর 1

দ্যা গ্রেট ওয়াল অব চায়না- বিশাল দেশের এক সুবিশাল প্রাচীর

Main Source : https://roar.media/bangla/travel/the-great-wall-of-china

চীনের মহা প্রাচীর বা, গ্রেট ওয়াল অব চায়না!! মানুষের সৃষ্ট এই বিস্ময়কর সৃষ্টির কথা শুনেনি এমন মানুষ এ পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া দায়। চায়নায় যাকে ডাকা হয় ছাং ছং বা, দীর্ঘ প্রাচীর নামে। দীর্ঘ এ প্রাচীরের সারির প্রায় পুরোটাই মাটি ও পাথর দিয়ে নির্মিত। পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি হল চীনের এই মহা প্রাচীর। আক্রমণকারীদের দূরে রাখা এবং সামরিক অনুপ্রবেশ ঠেকানোই ছিল এ বিশাল প্রাচীর নির্মাণের উদ্দেশ্য। এই দেয়াল নির্মাণ করার প্রকল্পটি পৃথিবীর অন্যতম ব্যয়বহুল এক প্রকল্প হিসেবে ধরা হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামরিক অবকাঠামোও এটি। এটিই মানুষের হাতে তৈরি সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। উচ্চতায় প্রায় ৫ থেকে ৮ মিটার উঁচু এই প্রাচীরটি। আর লম্বায় প্রায় ৬৫৩২ কি.মি.! আজ আমরা পৃথিবীর এই সবচেয়ে দীর্ঘতম প্রাচীরটির ইতিহাস, বর্তমান অবস্থা, অবকাঠামো ইত্যাদি সম্বন্ধে কিছুটা জানার চেষ্টা করব।

নির্মাণের ইতিহাস

চীনের ঐতিহাসিক উত্তরাঞ্চলের বর্ডারে চায়না রাজ্য এবং রাজত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে এই প্রাচীরটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এটি বর্ডারের পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকের রেখা বরাবর নির্মিত। ইউরেশিয়ান প্রান্ত থেকে যাযাবর গোষ্ঠীগুলোর যথেচ্ছ আক্রমণ ঠেকাতেই তখন এ পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল। চীনের প্রাচীর আসলে বেশ কিছু দুর্গের সমষ্টি। চীনের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় একে প্রায়শই ঐতিহাসিকরা ১০,০০০ মাইল দীর্ঘ দেয়াল বলে অভিহিত করে থাকতেন। ঐতিহাসিক ‘সিমা কিয়ানে’র বর্নণাতেও এমনটাই দেখা যায়। যদিও এ ১০,০০০ সংখ্যাটি এর প্রকৃত দৈর্ঘ্য না বুঝিয়ে অনেক দীর্ঘ এই বিষয়টির দিকেই ইঙ্গিত করেই ব্যবহার করা হত।

খ্রীষ্টের জন্মের ৫ থেকে ৮শ বছর আগে থেকেই চাইনিজরা দেয়াল নির্মাণের কলা কৌশল ভালোভাবেই রপ্ত করে নিয়েছিল। এই সময়ের মাঝে চীনের কিন, ঝাও, কিউ, ইয়ান এবং ঝংসান রাজ্য তাদের নিজেদের নিজেদের বর্ডার রক্ষার্থে বিশাল বিস্তৃত দুর্গ নির্মাণ করে ফেলে। ছোট ছোট আক্রমণ ঠেকানোর মত ব্যবস্থা এসব দুর্গে ছিল।

কিন রাজ্যের রাজা ঝেং ২২১ খ্রীষ্ট পূর্বে তার শেষ শত্রুদেরও পরাজিত করে পুরো চায়নায় প্রথম ‘কিন’ বংশের রাজত্ব স্থাপন করেন। তিনি কেন্দ্রীয় শাসন জোড়দার করতে বিভিন্ন রাজ্যের আগের নির্মিত দেয়ালগুলো, যেগুলো সেই রাজ্যকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে রেখেছিল সেই দেয়ালগুলো ভাঙ্গার নির্দেশনা দিলেন। তবে উত্তর দিক থেকে জিয়াংনু গোষ্ঠির মানুষদের আক্রমণ থামানো যাচ্ছিল না। তাই তিনি এ আক্রমণের হাত থেকে রাজ্যকে রক্ষার জন্য অবশিষ্ট দুর্গগুলোকে সংযুক্ত করে নতুন দেয়াল নির্মাণের নির্দেশ দেন। এ দেয়াল নির্মাণের কাঁচামাল জোগাড় করা তখন বেশ কষ্টসাধ্য এক কাজ ছিল। তাই স্থানীয় যেসব কাঁচামাল পাওয়া যেত তাই দিয়েই কাজ চালানো হত। পরবর্তিতে হান, সুই সহ আরো অনেক রাজবংশ এই দেয়ালের সংস্কার, পুনর্নির্মাণ এবং বিস্তার ঘটায়। এ সবই করা হয়েছিল উত্তর দিক থেকে আসা যাযাবর বা, শত্রুদের আক্রমণ ঠেকাতে।

তথ্যসূত্রঃ

১। https://en.wikipedia.org/wiki/Great_Wall_of_China#Names

২। http://www.history.com/topics/great-wall-of-china

৩। http://bengali.mapsofworld.com/travel/destinations/china/great-wall-of-china/
All Credit goes to : https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Froar.media%2Fbangla%2Ftravel%2Fthe-great-wall-of-china%2F&h=ATPvhtD0Q_gB-U871e51DoSBIrVdID6876MdCbIaBRvuB6tWf13LeKWjll7J8Q1Lo8TtnWZQAJ3wsQ5fEaT9vffsBWULMN08K8aQBMa4UG9lJws_IC4Znhfsh3yjhjkGmldRl0ipeh-BNnBtd9CYOlgk_6qT5Y5FPsWiO3KSz9-WGQdee4wdf0wJnfTwXpW8Q5C7c_RbXPW1CY-nJ54CAfnf-i3v6exumYIjKOY0zZflsnOO9SvLIyJ9rZuvDY0TWIX8rHJFP4E3tlZffl2mGUzWipxc21aUDOq1Zg

One Comment

  1. This article on the website is very strong, the website is definitely good and the author is clever once.

Leave a Reply